গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক সাফওয়াত আল-কাহলুত বলেন, বাস্তবিক অর্থে প্রায় ১১ লাখ মানুষের চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। তারা কীভাবে চলাফেরা করতে পারে? তাদের যথেষ্ট গাধা নেই, পর্যাপ্ত গাড়ি নেই। সাতদিন ধরে যানবাহন চলাচলের জন্য কোনো জ্বালানি নেই।
আল-কাহলুত বলেন, গত রাত পর্যন্ত মানুষ পান করার জন্য পানি খুঁজে পাচ্ছিল না। এখন তারা কীভাবে বের হবে এবং কোথায় যাবে তা খুঁজতে?
১০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি আতঙ্কিত, বিভ্রান্ত। তারা কীভাবে সরে যাবে, কীভাবে যাবে, তার কোনো পরিকল্পনা নেই। তারা বুঝতে পারছে না কী করতে হবে। আল-কাহলুত বলেন, এখন আমার সন্তানরা আমাকে জিজ্ঞেস করছে, আমরা কোথায় যাব? আমি বললাম, আমি জানি না।
গাজা সিটি থেকে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র নেবাল ফারসাখ বলেন, খাবারের কথা ভুলে যান! বিদ্যুতের কথা ভুলে যান! জ্বালানির কথা ভুলে যান! এখন একমাত্র উদ্বেগ হচ্ছে, আপনি যদি বাঁচতে চান পালাতে পারবেন কিনা! জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কী হবে?
গাজার বেসামরিক নাগরিকদের কাছে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, তাদের নিজেদের ‘নিরাপত্তার’ জন্য এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘আরেকটি ঘোষণা দেওয়ার পরেই কেবল আপনি গাজা সিটিতে ফিরে আসতে পারবেন।’