সাক্ষাৎকারে হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান বলেন, কিছু মুসলিম দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে ফিলিস্তিনি জাতির যৌক্তিক অধিকার আদায়ের দৃঢ় মনোবলে ফাটল ধরাতে পারেনি। ইসরায়েল যদি গাজায় যুদ্ধাপরাধ অব্যাহত রাখে, তাহলে এই অঞ্চলে যে কোনো কিছু ঘটতে পারে। ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ বন্ধে নিজেদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে ইরান।
সাক্ষাতে হামাস নেতা হানিয়েহ বলেন,গাজার ঘরবাড়ি, মসজিদ ও হাসপাতালে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও আমাদের প্রতিরোধ যোদ্ধারা নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছেন। এই যুদ্ধের পরে নতুন এক ইতিহাস রচিত হবে, যা অতীতের মতো হবে না।বিগত বছরগুলোতে ফিলিস্তিনি জাতির বিরুদ্ধে চালানো ইসরায়েলি অত্যাচারের প্রতিশোধ নিতেই গত ৭ অক্টোবর আল-আকসা ফ্লাড অভিযান চালানো হয়েছে। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলিদের চলমান গণহত্যা প্রমাণ করেছে, অভিযানে দেশটি অসহায় বোধ করেছে ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষ কখনো গাজা ছাড়বে না ও তারা কোথাও পালিয়ে যাবে না। গাজাবাসীরা মিশরে পালিয়ে যাবে না। যেসব ফিলিস্তিনি ইসরায়েলের বর্বর অত্যাচারের মুখোমুখি হচ্ছেন, তাদের আমি স্যালুট জানাই। এসব নির্যাতিত মানুষ তাদের ভূখণ্ড রক্ষায় বদ্ধপরিকর।
গত শনিবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইসমাইল হানিয়েহ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সহায়তায় গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল। আর গাজাবাসীদের হত্যা করতে যা কিছু প্রয়োজন, তার সবই দিচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। তবে পশ্চিমাদের চাপ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে পিছপা হবে না।
সূত্র ,আলজাজিরা