ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রোববার রাতে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে স্ত্রী যুথি আক্তার (২২) ও শ্যালিকা স্মৃতি আক্তার (১২) কে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়েছেন যুবক আমির হোসেন। নিহত যুথি ও স্মৃতি উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর গ্রামের মৃত রওশন আলীর মেয়ে। আর আমির কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার জামতলি গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমির হোসেনের সঙ্গে দেড় বছর আগে বিয়ে হয় যুথি আক্তারের। স্বামীর বাড়িতেই থাকতেন যুথি আক্তার। যুথি আক্তারের বাবা রওশন আলী বেঁচে নেই। তাদের মা একটি মামলার কারণে জেলহাজতে রয়েছেন। বাড়িতে থাকেন যুথি আক্তারের ছোট বোন স্মৃতি আক্তার ছোট ভাই জাহিদ হোসেন। বড় ভাই সৌদি আরবে থাকেন।
রোববার যুথি আক্তার তার স্বামী আমির হোসেনকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। রাতের খাবার শেষে যুথি আক্তার ও তার ছোট বোন স্মৃতি আক্তার ঘরের একটি কক্ষে এবং আমির হোসেন ও তার শালা জাহিদ হোসেন একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন।
রোববার গভীর রাতে জাহিদ ঘুম থেকে জেগে তার দুলাভাইকে দেখতে পায়নি। ঘরের দরজা খোলা রয়েছে। পাশের কক্ষে তার দুই বোন অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ সময় জাহিদ চিৎকার করতে থাকলে বাড়ির আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে যুথি ও স্মৃতির মরদেহ দেখতে পান।
মৃতদের ছোট ভাই জাহিদ হোসেন বলেন, আমার সঙ্গে দুলাভাই ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে দেখি তিনি নেই। ঘরের দরজা খোলা রয়েছে। আমার দুই বোন মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। আমি আমার বোনদের খুনের বিচার চাই।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, তাদের বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। বিয়ে হয়েছে বেশি দিন হয়নি। কী কারণে খুন করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। তিনি ধারণা করছেন তাৎক্ষনিক হয়তো কোনো দ্বন্দ্বের কারণে তাদেরকে খুন করা হয়েছে। আমির হোসেন পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের করার চেষ্টা চলছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, তাদের বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। বিয়ে হয়েছে বেশি দিন হয়নি। কী কারণে খুন করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। তিনি ধারণা করছেন তাৎক্ষনিক হয়তো কোনো দ্বন্দ্বের কারণে তাদেরকে খুন করা হয়েছে। আমির হোসেন পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের করার চেষ্টা চলছে।