পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গুলিতে আহত পুলিশের ‘তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী’ আলী আকবার ওরফে ঢাকাইয়া আকবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
রোববার সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৩ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকার পশ্চিম পয়েন্টের ২৮ নম্বর দোকানের সামনে আড্ডারত অবস্থায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবরকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন দর্শনার্থী জান্নাতুল বাকী (৩০) এবং শিশু মহিম ইসলাম রাতুল (৮)। সে নগরের দক্ষিণ পতেঙ্গার ফুলছড়িপাড়ার শওকত হোসেনের ছেলে। আর জান্নাতুল বাকী ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলের অদূরে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ঢাকাইয়া আকবর, একজন তরুণী এবং অন্য চারজন ছেলেসহ মোট ৬-৭ জন ২৮ নম্বর দোকানে বসেছিলেন। দোকানের এক ছেলে তারা কী অর্ডার করবেন জিজ্ঞেস করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেলে করে চারজন যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন আকবর নামে ওই যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। এ সময় আকবর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবু তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এরপর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এসময় ‘আকবরের সাথে থাকা চারজন ছেলে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। আর যে তরুণী ছিলেন তিনি গুলিবর্ষণকারীদের সাথে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।’
গোলাগুলির ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও থানায় মামলা হয়নি জানিয়ে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখনো থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। মামলা যেহেতু হয়নি আমরা কাউকে শনাক্তও করতে পারিনি। এজাহারের পর বাকিটা বোঝা যাবে।