1. admin@newsupdate24-7.com : admin :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চলন্ত বিমান থেকে জরুরি দরজা খুলে ঝাঁপ দিলেন যাত্রী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে রেকর্ড ট্রাফিক আইন ভাঙলেই যাবে অটো নোটিশ, জারি হতে পারে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাসায় মজুত করা জ্বালানি তেলে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ড, ভাড়াটিয়ার জেল প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু ডিসি সম্মেলন, আলোচনায় ৪৯৮ প্রস্তাব সিলেটে ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে ৮ জন নিহত, সবাই শ্রমিক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার: স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরল আমিরাতের আকাশপথ যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ দেশের পথে, বৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে বাহরাইনে ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল

নিজের জীবন বিপন্ন করে শিক্ষার্থীদের রক্ষার চেষ্টা করেন মাহরিন

Tm azim
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ৯৮ বার পঠিত

ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলের কো-অর্ডিনেটর মাহরিন চৌধুরী (৪২)। শিশুদের হাত ধরে স্কুল গেট পার করানো তার নিত্যদিনের দায়িত্ব। কিন্তু আজ সোমবার দুপুরে সেই স্কুল গেটেই ঘটে গেলো ভয়াবহ ঘটনা। যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়ল স্কুলের এক ভবনে। মুহূর্তেই আগুনের ফুলকিতে চারপাশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে থাকে। ঠিক সেই সময় শিশুদের নিজের বুকে আগলে রাখেন মাহরিন চৌধুরী। নিজের জীবন বিপন্ন করে বহু শিশুকে ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন মাহরিন। তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।

মাহরিনের স্বামী মনসুর হেলাল গণমাধ্যমকে বলেন, মাহরিনের পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব ঝলসে গেছে। আমার মনে হচ্ছে ১০০ শতাংশ দগ্ধ।

তবে লাইফ সাপোর্টে নেওয়ার আগে স্বামীর সঙ্গে কথা বলেন মাহরিন। এ বিষয়ে মনসুর হেলাল বলেন, মাহরিন বলেছেন- স্কুল ছুটির পর বাচ্চাদের নিয়ে বের হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই গেটের সামনে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। নিজে দগ্ধ হলেও সেসময় তিনি বাচ্চাদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন।

মাহরিন চৌধুরী এখন বেঁচে থাকার লড়াই করছেন। হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন তার স্বামী। পরিবার, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা মাহরিনের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ফাহিম খান বলেন, ‘আমি ক্লাসের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনি, সামনে দেখি শুধু ধোঁয়া আর ধোঁয়া। কাছে যেতেই দেখি টেবিলে কয়েকজন এমনভাবে পুড়েছে, তাদের অস্তিত্বই বোঝা যাচ্ছে না। আরেকটা রুমে দেখি একজন ম্যাম কয়েকজন শিশুকে বুকের মধ্যে আগলে রেখেছেন। শিশুরা তেমন কিছু না হলেও ম্যামের অবস্থা খুবই খারাপ। তার পুরো পিঠ আগুনে পুড়ে গেছে। তিনি তখনও আগুনের মধ্যে দাঁড়িয়ে শিশুদের আগলে রেখেছেন। আমি তখন দুজন ছোটবোনকে বের করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। পরে জেনেছি, ম্যামকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

 

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting