বরগুনায় স্ত্রী আসমা আক্তার পুতুলকে কুপিয়ে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন স্বামী আবুল কালাম। গতকাল রোববার ( ১৬ ফেব্রুয়ারি ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলেজ রোড এলাকার রাসেল মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানায় ,পারিবারিক কলহে প্রায় সংসারে ঝগড়া লেগে থাকতো। তার অবসান ঘটেছে আসমা আক্তার পুতুলকে হত্যার মাধ্যমে। নিহত আসমা আক্তার পুতুল ৬নং কাজিরাবাদ ইউনিয়ন বকুলতলী গ্রামের মৃত মো. ইউনুস হাওলাদারের মেয়ে। ২০১৩ সালে পূর্বালী ব্যাংকে পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে চাকরি করে। ২০০৮ সালে ইসলামি শরিয়াত মোতাবেক তাদের বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাহাদের ০২টি সন্তান আছে। মোসা. রাকা মনি(১৩) ও মো. রাফি(৪)। স্বর্ণালঙ্কার তৈরি করা নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে বরগুনায় স্ত্রী আসমা আক্তার পুতুলকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করেছেন স্বামী।
এক বছরের বেশি সময় ধরে কালাম তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে আমার বাসায় ভাড়া থাকতেন। তবে আমি তাদের মধ্যে কোনো ধরনের পারিবারিক কলহ দেখতে পাইনি। এমনকি প্রতিবেশী যারা আছে তারাও দেখেনি। রাতে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখি আসমা আক্তারকে মেরে আহত করে ঘর থেকে কালাম চলে গেছে।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ‘স্ত্রী আসমা আক্তার পুতুলকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ করেন স্বামী আবুল কালাম। পরে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছেন তারা।’
এ ঘটনায় নিহত পুতুলের ছোট ভাই জুবায়ের হাওলাদার বাদী হয়ে আবুল কালামকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।