1. admin@newsupdate24-7.com : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চলন্ত বিমান থেকে জরুরি দরজা খুলে ঝাঁপ দিলেন যাত্রী রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনে রেকর্ড ট্রাফিক আইন ভাঙলেই যাবে অটো নোটিশ, জারি হতে পারে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাসায় মজুত করা জ্বালানি তেলে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ড, ভাড়াটিয়ার জেল প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু ডিসি সম্মেলন, আলোচনায় ৪৯৮ প্রস্তাব সিলেটে ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে ৮ জন নিহত, সবাই শ্রমিক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার: স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরল আমিরাতের আকাশপথ যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ দেশের পথে, বৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে বাহরাইনে ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল

‘ভবনে ছিল না সেফটি প্ল্যান, ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় বেগ পেতে হয়েছে

Moniruzzaman
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৪ বার পঠিত

রাজধানীর হাজারীবাগ বাজারের ফিনিক্স লেদারের গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসকে। আগুন লাগা ভবনটিতে ছিল না কোনো সেফটি প্যান। এছাড়া বেশ কয়েকবার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে হাজারীবাগে আগুন লাগা ভবনটির সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেন, আমাদের টিটিএল (টার্ন টেবল লেডার) পড়ে আছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ভবনটির ভেতর থেকে কাজ করতে হয়েছে। বাইরের দিক থেকে যে কাজ করার কথা, সেটি করা সম্ভব হয়নি। কারণ টিটিএল বসানোর মতো অবস্থা এখানে নেই।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মতোই। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে প্রায় ৩ ঘণ্টা। আমাদের সক্ষমতার পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। কারণ পানির সংকট, ভেতরের দাহ্য বস্তু, উৎসুক জনতার ভিড় ও চাপা (সরু) রাস্তা।

ভবনটিতে ছিল প্লাস্টিক, লেদারসহ দাহ্য বস্তুর কারখানা। ছিল না কোনো অগ্নিনিবারক যন্ত্র। ভবনে ফায়ার সেফটির কোনো প্ল্যান ছিল না। কয়েকবার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।

আগুন ভবনটির ৫, ৬ ও ৭ তলা পর্যন্ত ছড়িয়েছে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, নিচের দিকে আগুন ছিল না। আগুনের সূত্রপাত এখনো বের করা যায়নি। তবে ইলেকট্রনিক শর্ট সার্কিট কিংবা সিগারেটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্তের পর মূল কারণ জানা যাবে।

আরও বলেন, সরকারের আইনে ফায়ার সেফটি অবশ্যই থাকতে হবে। কিন্তু এই ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ থাকার পরেও কোনো ফায়ার সেফটি ছিল না। আগুন ছড়িয়ে পড়লে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারতো।

ফায়ার সার্ভিসের সব ইকুইপমেন্ট এখানে আনা সত্ত্বেও আমরা কাজ করতে পারিনি। কারণ এখানকার রাস্তা অনেক ছোট এবং ভবন একটির সঙ্গে আরেকটি লাগানো। আমরা ১৩টি ইউনিট এনেছিলাম, কিন্তু সব ইউনিট কাজ করতে পারিনি।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণ হলেও এখনো নির্বাপণ হয়নি। আগুন নির্বাপণের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

 

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting