রাজনৈতিক প্রতিযোগীতায় কারু শত্রু, বন্ধু, সহপাঠি, ভাই।জীবনের বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে আওয়ামিলীগের সময় ক্রসফায়ার তালিকা থেকে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীর কারনে আজ ও জীবিত আছে এই হালিম মোল্লা।
দলের ক্রান্তিলগ্নে রাজনৈতিক যুদ্ধে এই হালিম মোল্লারা সবার আগে রাজপথে সামনের সারি থেকে পুলিশের বন্দুকের সামনে দাড়িয়ে যায়।
কেন জানেন তারা দেশ এবং জিয়া পরিবার কে ভালোবাসে।তারা অন্ধ পাগল বেগম জিয়া, তারেক রহমানের প্রতি।
দলের ক্রান্তিলগ্নে এরাই ছিলো এরাই থাকে এরাই থাকবে।
এরা সু সময়ের কোকিল না এদের পিছনের ইতিহাস অনেক লম্বা।
এদের শত্রু বেশি এদের পিছনে একটি গ্রুপ থাকে এদের কে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধংশ করার জন্য।
কারন এরা স্পষ্ঠবাদী জি হুজুর জি জনাব বলে কথা বলে না।কারন এরা আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের সৈনিক।
এরা অন্যায়ের প্রতি মাথা নিচু করে না।
গত ২৮অক্টোবর ২০২৪ এর পরে এই হালিম মোল্লা এবং তার অনুসারীরা /কর্মীরা রাজপথে যে পরিমান শ্রম দিয়েছে আমি তার ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে সাক্ষী হিসেবে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি।
বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ আমি নিজ স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতাদের কাছে প্রেরণ করেছি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের অগ্রগতি সমন্ধে ফোনে কথা বলেছেন আব্দুল হালিম মোল্লা ভাইয়ের সাথে।
তখন স্পীড আরু বেড়ে যায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় কথা বলেছেন আন্দোলন গতি আরু তীব্র করতে হবে প্রতিটি নেতাকর্মী কে সিংনাল দেন।
এই ক্ষুদ্র লেখাটি যদি দায়িত্বশীল সিনিয়র নেতৃবৃন্দের নজরে আসে তাহলে আমার আকুল আবেদন থাকবে প্রতিটি মহানগর /জেলায় এই রকম হালিম মোল্লা প্রয়োজন।কারন আওয়ামিলীগ যেইভাবে ঝটিকা মিছিল শুরু করছে তাদের কে প্রতিহত করার জন্য এই হালিম মোল্লাদের প্রয়োজন।
এরা দল পাগল দলের জন্য নিজের জীবন দিতে কোন কার্পণ্য করে না।
তার আলাদা একটি গুন আছে সে বলে আল্লাহ যদি আমাকে ভালো রাখে আমার প্রতিটি কর্মী ভালো থাকবে এবং ভালো রাখার চেষ্টা করবো।
বিগত দিনগুলিতে আওয়ামিলীগের রাজনৈতিক মামলা নিজ দায়িত্বে কর্মীদের জামিনের এবং কারাগারের খরছ বহন করেছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি নেতাকর্মী ভালো থাকোক এই প্রত্যাশা।
হাবিবুর রহমান-ইলিয়াস
সাবেক সহ-সভাপতি
গাজীপুর মহানগর ছাত্রদল