1. admin@newsupdate24-7.com : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সর্বোত্তম ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে আলোচনা শুরু।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩৮১ বার পঠিত
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে বিপাকে পড়েছে বিশ্বের নানা দেশ। শীর্ষ মার্কিন বিনিয়োগ সংস্থা গোল্ডম্যান শ্যাক্স বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানে চাকরি হারাতে পারেন বিশ্বের ৩০ কোটি মানুষ। এমন পরিস্থতিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সর্বোত্তম ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে সাত শিল্পোন্নত দেশের জোট জি-৭।

জাপানের সভাপতিত্বে শনিবার (২৯ এপ্রিল) টোকিওর উত্তরে অবস্থিত তাকাসাকি শহরে জি-৭’এর ডিজিটালকরণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রীরা এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই বৈঠক আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। খবর এনএইচকে’র।

এমন এক সময় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন চ্যাটজিপিটি ও সৃজনশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেনারেটিভ এআই’এর জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরইমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেকোনো বিষয়ে লেখা ও ছবি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন ও তথ্য ফাঁস হওয়ার উদ্বেগ বৃদ্ধি বাড়ছে।

শনিবারের বৈঠকে জি-৭ মন্ত্রীরা আস্থাপূর্ণ উপায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহারের জন্য একটি নির্দেশিকা প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

তারা “ডিএফএফটি” নামে অভিহিত একটি আস্থাপূর্ণ মুক্ত তথ্য-উপাত্ত প্রবাহ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন।

এর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও বলেছিলেন, চ্যাটজিপিটি চ্যাটবট এবং অন্যান্য কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত সরঞ্জাম, যা লিখিত বার্তা এবং চিত্র তৈরি করে থাকে, সেগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী ঠিক করে নেয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনা করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোববার বৈঠকের শেষদিনে জি-৭’এর ডিজিটালকরণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রীরা এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন করতে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নভেম্বরে চ্যাটজিপিটি চালু হওয়ার পর থেকে ঝড়ের গতিতে মানুষ এটি ব্যবহার করা শুরু করেছে। চ্যাটজিপিটির সাফল্যের পর একই ধরণের হাজার হাজার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরিতে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে বিশ্বের বড় বড় আইটি কোম্পানিগুলো। গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও বাজারে আনছে নিজেদের এআই।

এদিকে এরইমধ্যে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করেছে ইতালি। ইউরোপের আরও একাধিক দেশ একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

ইতালি সরকার বলছে, মার্কিন স্টার্ট-আপ ওপেনএআই’র তৈরি এবং মাইক্রোসফ্ট সমর্থিত চ্যাটজিপিটি নিয়ে গোপনীয়তার উদ্বেগ রয়েছে। দেশটি চ্যাটজিপিটি নিয়ে তদন্ত  শুরু করেছে।

ইতালির কনজিউমার অ্যাডভোকেসি গ্রুপের (বিইইউসি) উপ-মহাপরিচালক উরসুলা পাচল সতর্ক করে জানান, চ্যাটজিপিটি যে ক্ষতি করতে পারে, তা থেকে সমাজ বর্তমানে যথেষ্ট সুরক্ষিত নয়।

তিনি আরও বলেন, চ্যাটজিপিটি এবং এর মতো অন্যসব চ্যাটবটগুলো কিভাবে মানুষকে প্রতারিত এবং প্রভাবিত করতে পারে, তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।

অন্যদিকে ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আশঙ্কা করেছেন, এভাবে চলতে থাকলে এআই সিস্টেমগুলো একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) হচ্ছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি সংঘ। এ সাতটি দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের সাতটি মূল উন্নত অর্থনীতির দেশ। যারা বৈশ্বিক সম্পদের শতকরা ৬৪ ভাগের প্রতিনিধিত্ব ($২৬৩ ট্রিলিয়ন)।

আগে এটি ছিল ‘জি-৮’, কিন্তু ২০১৪ সালের ক্রিমিয়া সংকটে রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতার কারণে ২০১৪ এর ২৪ মে রাশিয়াকে জি-৮ থেকে বাদ দেয়া হয়।

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting