ইসি আলমগীর বলেন, ইইউ যে আসবে না, তা তো বলেনি। তারা বলেছে বড় পরিসরে বা ছোট পরিসরে..। মিডিয়াতে আামরা যেটা দেখেছি, সেটা হচ্ছে এখনো তিন মাস, সাড়ে তিন মাসের মতো সময় আছে নির্বাচনের। অনেক লম্বা সময়। দুই নম্বর হলো যে, যুক্তরাষ্ট্র আসবে না সেটি তো বলেনি। যুক্তরাষ্ট্র এলে অবশ্যই খুশি হবো। আমরা তো কাউকে নিষেধ করিনি। আমরা বলেছি, আমাদের যে নীতিমালা, আমাদের যে আহ্বান, আমরা তো বলেছি সবাই আসেন। যেসব যোগ্যতার প্রয়োজন যেসব শর্ত আছে, সেগুলো পূরণ করে সবাই আসতে পারবে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফেমবোসা সদস্যদের (আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা) দেশ বিশেষ করে আমাদের আশপাশের যেসব দেশ আছে তাদের আমরা আমন্ত্রণ করি। আগামী মাসে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হতে পারে।
মঙ্গলবার বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতিমালা জারি করেছে ইসি। নীতিমালা অনুযায়ী যেকোনো দেশের যেকোনো সংস্থা আবেদন করতে পারে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো হয়। আমরা চাই দেশি-বিদেশি বেশি সংখ্যক পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করুক। আমরা আশা করি, বিদেশি পর্যবেক্ষেকরা আসবেন। এরই মধ্যে ইইউ পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর কথা জানিয়েছে