1. admin@newsupdate24-7.com : admin :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির ভ্রূণের ডিএনএ টেস্টের বিষয়টি গুজব: র‌্যাব

সংগৃহিত
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১২ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্টের তথ্য সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস এলাকায় র‍্যাব-১৪ প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।  

ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক নায়মুল হাসান বলেন, ‘মামলার প্রধান অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার এড়াতে ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছিলেন। শেষ পর্যন্ত আজ ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার পর ওই শিক্ষক গাজীপুর, টঙ্গী ও পরে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আত্মগোপনে গিয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার এড়াতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মুঠোফোনও ব্যবহার করছিলেন না। গোয়েন্দা নজরদারিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর গৌরীপুরের সোনামপুরে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

র‍্যাব কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তেমন কোনো তথ্য দেননি। তাকে আজ দুপুরে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। পুলিশ প্রয়োজনে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। 

মামলার এজাহার ও র‌্যাবসূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। শিশুটির মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করে। গত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই শিশুকে ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। গত ১৮ এপ্রিল থেকে ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় আসা বন্ধ করে দেয় এবং এর আগে থেকেই ভুক্তভোগী ছাত্রীটিও মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। 

এতে আরও জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান- শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে অজ্ঞাত স্থান থেকে গতকাল মঙ্গলবার ওই শিক্ষকের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এদিকে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওই শিশুর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা চিকিৎসক বিভিন্ন হুমকি পাচ্ছেন এবং তাকে নানাভাবে হয়রানি করারও অভিযোগ উঠেছে। 

বিষয়টি নজরে আনা হলে র‍্যাব অধিনায়ক নয়মুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা চিকিৎসক নানাভাবে হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। তার নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আছি। আমরা চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। শিশুটির ডিএনএ রিপোর্ট নিয়ে যে তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়েছে, সেটি সঠিক নয়।’

এই পোস্টটি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It Hosting