দিনাজপুরের বাজারে আবারো কমেছে পেঁয়াজের দাম। হিলির খুচরা বাজারে দেখা গেছে, আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে, যা দু’দিন আগেও ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।
দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। স্লট বুকিং নিয়ে ঝামেলার কারণে দু’দিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এতে করে বন্দরের পাইকারি পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফলে খুচরা বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা।
আজ শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে হিলির বাজার সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হিলি কাস্টমসের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় ৫৫ ট্রাকে ১ হাজার ৫২০ মেট্রিকটন আলু এবং ১৩ ট্রাকে ৩৮০ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমাদনি অব্যাহত রেখেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার ও ভারতে নতুন পেঁয়াজ উঠায় বন্দর দিয়ে আমদানির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু গত রবিবার হঠাৎ করেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের প্রদেশে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ার অজুহাতে রপ্তানি বন্ধ রাখতে স্লট বুকিং বন্ধ করে দেয়। তার আগের স্লটে পেঁয়াজ আমদানি হলেও সোমবার ও মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ আমদানি হয়নি।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে বিষয়টির সমাধান হলে আবারও স্লট বুকিং শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এতে করে বুধবার থেকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। বর্তমানে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এতে করে ভারতের বাজারেই পণ্যটির সররবাহ বাড়ায় দাম নিম্নমুখী রয়েছে। সামনের দিনে পেঁয়াজের দাম আরও কমতে পারে। বর্তমানে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা বিক্রি হলেও পেঁয়াজের দাম কমে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় আসতে পারে।